অ্যাডলফ হিটলারের ডায়েরী
Original price was: 250.00৳ .180.00৳ Current price is: 180.00৳ .
- Title:অ্যাডলফ হিটলারের ডায়েরী
- Author:নাইম হোসেন
- Publisher:আল আজিম প্রকাশনী
- Edition:1st Published-এপ্রিল-1990/ষষ্ঠ মুদ্রণ-2016
- Number of Page: 127.
- Country:Bangladesh
- Language: Bangla
Description
প্রসঙ্গত ||
২২শে এপ্রিল, ১৯৪৫ সাল। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শেষপর্ব’। লালফৌজের গোলা বাংকারের ওপরে এবং আশপাশে আছড়ে পড়ছে। শহর বার্লিন প্রায় বিৎস্তে। রাত ন’টার থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত হিটলারের আদেশে দশটা জেন মিউনিক লক্ষ্য করে উড়ে যায়। দশম গ্রেনটা শুধু ফাইলে ঠাসা। ১৯৪০ থেকে ১৯৪৬ সালের ২২শে এপ্রিল পর্যন্ত সব মিটিং কনফারেন্স প্রভৃতির পূর্ণ’ বিবরণী শঠব্যান্ডে লেখা। আলমারী ভর্তি’ কাগজগুলোর ওজন প্রায় আষ টন। সাজেস্ট আরেঞ্জের তত্ত্বাবধানে এই প্লেনটির পাইলট ছিল মেজর ফ্রেডরিক ঘুয়েনডল ফিসার। দক্ষ অভিজ্ঞ পাইলট এবং বিমান চালনায় নিপুখ। লালফৌজের গোলাতে বার্লিনের টেমপেল,হোফ বিমানবন্দর প্রায় খংস হয়ে যাওয়ায় এই দশটি মালবাহী প্লেনকে গেটাউ এয়ারপোর্টে নিয়ে আসা হয়। ন’টি বিমানের যাত্রা নির্বিঘ্নে হলেও ওড়ার ঠিক আগে দশম বিমানটির যান্ত্রিক গোলমাল দেখা দেওয়ায় এটির উড়তে প্রায় ঘণ্টাখানেক বিলম্ব হয়। বাকী বিমানগুলো যথাসময়ে সহর মিউনিকে পৌঁছালেও এই বিমানটি কখনই পৌঁছায় নি। যুদ্ধের পর অনেক খোঁজাখুঁজির শেষে জনা হায় যে ২২শে এপ্রিল শেষ রাতে বিমানটা ব্যাভেরিয়ায় ভেঙে পড়ে। অনেকেই বিমানটার ভেতে পড়ার প্রচন্ড শব্দে সচকিত হলেও প্রত্যক্ষদর্শী কাউকে পাওয়া যায় নি বলে বিমানটির ভেঙে পড়ার কারণও অজ্ঞাত থেকে যায়। হিটলার এই খবরে মুষড়ে পড়ে। আশেপাশের গ্রামের লোকেরাই বিস্তে বিমান থেকে মৃতদেহগুলোকে উদ্ধার করে কিছুটা দূরে কবর দেয়। ভবে কাগজপত্তর, ফাইলগুলোর কোন খোঁজ পাওয়া যায় নি। সম্ভবত পড়ে ছাই হয়ে গেছে অনেক অজানা রহস্য বুকে নিয়ে।
যুদ্ধের পর অবশ্য হিটলারের এই ডায়েরীটা খুঁজে পাওয়া যায়। বহু ঘটনার সাক্ষী এই ডায়েরী। তৎকালীন হিটলারের মানসিক চিন্তাধারার মাছ দর্পণ এই ব্যস্তিগত ডায়েরীটা হয়তো বা মহাযুদ্ধের কারণগুলো বুঝেতে সাহায্য করবে। সেই সঙ্গে হিটলার এবং সেদিনের আর্মানীকেও।
সেদিনের যুদ্ধবিধস্ত জার্মানীর পটভূমির নায়ক নিঃসন্দেহে হিটলার। ভবে পার্শ্বচরিত্র হিসেবে গোয়েবেলসের ভূমিকাও কম ছিল না। তাই ওদের পরিচিতি পাঠক-পাঠিকাদের কিছুটা হলেও কৌতূহল নিবারণ করতে সাহাযया করবে।





Reviews
There are no reviews yet.