বর্ণবৈষম্যের শেকড়বাকড় (পেপারব্যাক)
Original price was: 350.00৳ .298.00৳ Current price is: 298.00৳ .
| Title | : | বর্ণবৈষম্যের শেকড়বাকড় (পেপারব্যাক) |
| Author | : | হরিশংকর জলদাস |
| Publisher | : | কথাপ্রকাশ |
| ISBN | : | 9789849626510 |
| Edition | : | 4th Print, 2023 |
| Number of Pages | : | 158 |
| Country | : | Bangladesh |
| Language | : | Bengali |
Description
হিন্দুধর্ম আচারপ্রধান। প্রথারীতির কাছে নতজানু এই ধর্ম। অথচ একসময় মানবতার জয়গান ধ্বনিত হতো এখানে।
জাতপাত আর বর্ণবিভাজনের জাঁতাকলে পড়ে হিন্দুদের মধ্যে ভেদাভেদ তৈরি হলো। কেউ ব্রাহ্মণ, কেউ ক্ষত্রিয়, কেউ বৈশ্য আর কেউ-বা শূদ্র।
শূদ্ররা নাকি অস্পৃশ্য, ছোটলোক। কারা বলল এ কথা? হিন্দুসমাজে উঁচুজাত-হীনজাতের প্রক্রিয়াটা কাদের হাতে তৈরি হলো? মনু কে? তিনি কি ঋষি, নাকি প্রতিক্রিয়াশীল মানবতাবিরোধীদের নেতা? নিজে শূদ্রসন্তান হয়েও কেন কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস লিখলেন শূদ্ররা মানবেতর প্রাণী! শাস্ত্রপাঠের অধিকার নেই তাদের!
ব্রাহ্মণ শ্রেষ্ঠ, ব্রহ্মার মুখ থেকে সৃষ্টি তাদের! শূদ্রের উৎপত্তি ব্রহ্মার পা থেকে! এ কথার গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু?
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শূদ্রদের সভ্যতার পিলসুজ বলেছেন। প্রাচীনকালে এই পিলসুজ শূদ্রদের কেন মাটিতে শুতে বাধ্য করা হতো? কেন প্রভুদের উচ্ছিষ্ট খেতে হতো তাদের? কেন শূদ্র-নারীরা ব্রাহ্মণের অবাধ ভোগ্য ছিল? কেন শূদ্রদের লিঙ্গ ছেদন করা হতো? কেন শূদ্ররা তাদের সন্তানদের শুভতাসূচক বা বলবর্ধক নাম রাখতে পারত না? তাদের কেন অর্থসঞ্চয় করার অধিকার ছিল না? এসব প্রশ্নের উত্তর আছে হরিশংকর জলদাসের বর্ণবৈষম্যের শেকড়বাকড় গ্রন্থটিতে।
এই বই বর্ণবাদীদের ক্রোধান্বিত করবে, মানবতাবাদীদের করবে তৃপ্ত।






Reviews
There are no reviews yet.