ওরা কয়েকজন
Original price was: 700.00৳ .520.00৳ Current price is: 520.00৳ .
- গ্রন্থের নামঃওরা কয়েকজন
লেখক :মাহমুদ রেজা চৌধুরী
প্রচ্ছদ: আল নোমান
মূল্য:৭০০
প্রকাশন: সপ্তর্ষি প্রকাশন
প্রকাশক:shibu chandra ojha - স্বত্ব: লেখক
Description
সারাক্ষণই ওর মাথায় কোনো না কোনো দুষ্টামি ঘুরতেই থাকে। সারাদিন বাসাতেও থাকে না। বন্ধুবান্ধব, আডডা। জানালায় রোদে দেওয়া কারোর ‘আমসত্ত’ বা ‘জলপাইয়ের আচারের বইআম।’ দূর থেকে গুলাল মেরে তছনছ করে দেওয়া। মহল্লায় পিকনিকের নামে কোনো বাড়ির মুরগি বা কবুতর চুরি করে খাওয়া। ক্রিকেট বা ফুটবল খেলবে বলে কলোনির বাসায়, বাসায় চাঁদা তোলা। সেই চাঁদার একটা অংশ দিয়ে ডালপুরি, সিঙ্গারা আর চা। রিকশা ঘণ্টায় ভাড়া করে কোন বন্ধুকে নিয়ে সারা শহর ঘোড়া। আড্ডা দেওয়াই বলা যায়, পলাশের স্বভাব। সারাদিন হইহুল্লোড় আর বন্ধুদের নিয়ে ঘোরাফেরা করে পলাশের সময় কাটে। পড়াশুনাতে মন একেবারেই নাই। পরীক্ষার আগের রাতে বসে পড়ে পরীক্ষার বৈতরণী পার করে কীভাবে, কে জানে! পলাশের মা’ও এটা ভেবে মাঝে মাঝে অবাক হন।
এটা পলাশের শৈশব-কৈশোর কাল। এরমধ্যেই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উতপ্ত হতে থাকে। হঠাৎ করে পলাশের চঞ্চল চরিত্রে অনেক কিছুর পরিবর্তন হয়। বেশিরভাগ সময় এখন ও রাজনৈতিক নানান সভা, মিছিল, মিটিংয়ে যায়। মহল্লার সিনিয়ারদের কাছে বসে দেশের গল্প শোনে। তাদের পেছনে পেছনেই থাকে। বাসায় ফিরে ডাইরি লিখতে বসে। এই পলাশের মধ্যে হঠাৎ একটা “ধীর-স্থির” ভাব লক্ষ্য করেন ওর বাবা-মা। পলাশের বাবা নিজেও খুব কম কথা বলেন।
পলাশকে কিছু জিজ্ঞাসা করেন না, কিন্তু পলাশের একটা পরিবর্তন ওর বাবাও লক্ষ্য করেন। পলাশের মা একটু চিন্তিত। ছেলেটা আজকাল কেমন যেন কেমন হয়ে যাচ্ছে। মা ভাবেন, পলাশ কি তাহলে কোনো মেয়ের সাথে জড়ায়ে পড়লো কিনা! কিন্তু সেটাও তো পলাশকে দেখলে বোঝা যায় না।পলাশের মা জানেন কলোনির দুই একটা মেয়ে পলাশকে বেশ পছন্দ করে। পলাশ কতটা করে মা তা জানেননা। ঐ মেয়েরা প্রায়ই বাসায় আসে। পলাশের মায়ের সাথে গল্প করে। কিন্তু অধিকাংশ সময় পলাশ তখন বাসায় থাকে না। মাঝেমধ্যে থাকলেও এরকম কেউ আসলে পলাশ বের হয়ে যায়। তাই মা বুঝতে পারেন না ছেলের আসলে হলো টা কী।
এভাবে যেতে যেতেই ১৯৭১-র শুরু। দেশের পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে একটা অশান্তির পথে যায়। একদিকে “আগুন জ্বালো, আগুন জ্বালো”। অন্যদিকে মুক্তি চাই, মুক্তি চাই। “খামোশ”। “জেলের তালা ভাঙব, শেখ মুজিবকে আনব”। “রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেবো”। “পদ্মা, মেঘনা, যমুনা আমাদের ঠিকানা”। “আমাদের দাবি মানতে






Reviews
There are no reviews yet.